1. aa01944785689@gmail.com : AFJAL SHARIF : AFJAL SHARIF
  2. samad@gmail.com : Abdus Samad : Abdus Samad
  3. admin@dashani24.com : admin :
  4. alamgirhosen3002@gmail.com : Alamgir Hosen : Alamgir Hosen
  5. aminulbahar3331@gmail.com : Md. Aminul Islam : Md. Aminul Islam
  6. a01944785689@gmail.com : Most. Khadiza Akter : Most. Khadiza Akter
  7. enamjournalist2023@gmail.com : Enam Journalist : Enam Journalist
  8. No-fozlurbc@gmail.com : Md Fozlur Rahman : Md Fozlur Rahman
  9. afzalhossain.bokshi13@gmail.com : Md Haurn Or Rashid : Md Haurn Or Rashid
  10. liton@gmail.com : Md. Liton Islam : Md. Liton Islam
  11. mdimanali358@gmail.com : Md Iman Ali : Md Iman Ali
  12. mdpalashkhan063@gmail.com : md palash Khan : md palash Khan
  13. mr6360850@gmail.com : Md Masud Lilfamari : Md Masud Lilfamari
  14. r01944785689@gmail.com : Rashadul Islam Rony : Rashadul Islam Rony
  15. samrulhaquesh29@gmail.com : Samrul Haque : Samrul Haque
  16. sanjidhowlader2@gmail.com : Sanjid Howlader : Sanjid Howlader
  17. siam200575@gmail.com : Tarikul Islam : Tarikul Islam
  18. tariqulislam.edge@gmail.com : Md. Islam : Md. Islam
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আজ কামালপুর মুক্ত দিবস জুলাই শহীদদের প্রতি ঝালকাঠি জেলা বিএনপি’র শ্রদ্ধা নিবেদন বকশীগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পথের কাঁটা সরাতে প্রতিপক্ষের নামে ৫০ মামলা জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে গাইবান্ধায় শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ইসলামপুরে ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন, সুলতান মাহমুদ বাবু এমপি জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে শহীদদের প্রতি জেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা নিবেদন কাহারোলে পুলিশের বড় সফলতা: ৮৮ কেজি গাঁজাসহ পিকআপ জব্দ, আটক ২ নলছিটিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা কাহারোলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ হরিপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সারাদেশে ৮২৪ সংখ্যালঘু সহিংসতার ঘটনা : এইচআরসিবিএম এর প্রতিবেদন স্বাধীন নিরপেক্ষ জুডিশিয়াল কমিশন গঠন ও ট্রানজিশনাল জাস্টিস এর দাবি

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
  • ২৮ বার পঠিত
43

বিশেষ প্রতিবেদক:
সারাদেশে ৮২৪ টি সংখ্যালঘু সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবী করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ মাইনোরিটিস– এইচআরসিবিএম। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয়মাসের সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবেদন প্রকাশ করছে সংস্হাটি।

হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ মাইনোরিটিস (এইচআরসিবিএম) -এর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লাকী বাছাড় স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৬৩টি জেলা এবং ৮টি বিভাগের তথ্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলে একটি বিবৃতিতে তুলে ধরেছেন ‌যেখানে HRCBM বিগত ছয় মাসে সর্বমোট ৮২৪টি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনার উপর একটি রিপোর্ট প্রতিবেদনের বিবৃতিতে তুলে ধরেছেন। এটি এইচআরসিবিএম-এর যাচাইকৃত ছয় মাসে নথিভুক্ত তথ্য উল্লেখ করা হয়। তথ্য গুলো জ্যোতি বাছাড় লিপিবদ্ধ করেছেন বিভিন্ন পত্র পত্রিকা, মিডিয়া, গনমাধ্যম কর্মী সরাসরি ভিক্টিম দের স্টেটমেন্ট ও বিভিন্ন জেলা উপজেলার কোর্ডিনেটর ও অবজারভার দের সত্যতা যাচাই বাছাই এর রিপোর্টের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে সরাসরি মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সাথে সংস্হার কোর্ডিনেটর আশীষ কুমার অঞ্জন ও রংপুর ডিভিশনের কোর্ডিনেটর দেবীচরন রায় সত্যতা যাচাই বাছাই এর ভিত্তিতে ২৩৪টি ভূমি দখল, সম্পত্তি আক্রমণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা; ২২৩টি অপহরণ ও শারীরিক হামলার ঘটনা; ১৬৮টি হত্যা ও রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা; ১৪১টি মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা; ৪১টি যৌন সহিংসতা, ধর্ষণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা; এবং ১৭টি ধর্ম অবমাননা-সংক্রান্ত ঘটনা বলা হয়েছে।
হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ মাইনরিটিজ- এইচআরসিবিএম (HRCBM) এর বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের রহস্যজনক মৃত্যু, বিশেষ করে ঝুলন্ত মরদেহ ভেসে আসা লাশ উদ্ধারের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে মব সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে যেখানে অনেক ক্ষেত্রে শুধু অভিযুক্ত ব্যক্তি নন, তাঁর পরিবার, প্রতিবেশী এবং ধর্মীয় উপাসনালয় হামলা ও ভাঙচুরের শিকার হচ্ছে। এছাড়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়েও গভীর উদ্বেগ রয়েছে। বিভিন্ন অভিযোগ অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে নিখোঁজ কিশোরীদের ধর্মান্তরিত করা হয়েছে এবং উদ্ধার হওয়া অনেকেই যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ মাইনরিটিজ (HRCBM)-এর পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার প্রকৃত সংখ্যা নথিভুক্ত ঘটনার তুলনায় আরও অধিক। প্রশাসনিক ও মেডিক্যাল অফিসারদের সহযোগিতার ঘাটতি, সামাজিক কলঙ্ক, ভয়ভীতি এবং বিচারহীনতার আশঙ্কার কারণে অনেক ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ দায়ের বা আইনি সহায়তা নিতে নির উৎসাহিত হচ্ছে। ফলে ধর্ষণ, ধর্ষণচেষ্টা ও অন্যান্য যৌন সহিংসতার বহু ঘটনা প্রকাশ্যে আসে না। তবে যখন একইধরনের সহিংসতা, ভূমি দখল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিচারহীনতার অভিযোগ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে পুনরাবৃত্তি হতে থাকে, তখন সেগুলোকে বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। ক্রমবর্ধমান বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়নের ঘটনাগুলোকে গুরুত্বহীনভাবে দেখা হচ্ছে।

এইচআরসিবিএম বিবৃতিতে উক্ত ঘটনাগুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে একটি নিরপেক্ষ জুডিশিয়াল কমিশন গঠন করার আহ্বান জানায়। এইচআরসিবিএম মতে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা উদ্ঘাটন না করে তড়িঘড়ি করে বিভিন্ন ঘটনাকে ব্যক্তিগত শত্রুতা বা অপরাধীদের অপকৌশল হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে, যা সংখ্যালঘুদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার বোধ সৃষ্টি করছে এবং তাদের দেশত্যাগের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এইচআরসিবিএম এর দাবি হলো, সরকারের উচিত দ্রুত একটি নিরপেক্ষ জুডিশিয়াল কমিশন গঠন করে ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণ ও সত্যতা যাচাই করা। এই জুডিশিয়াল কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে পূর্বে ঘটে যাওয়া এবং বর্তমানে ঘটা ঘটনাগুলোর সঠিক তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচার করা হোক এবং ভুক্তভোগীদের দ্রুত পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হোক। সমাজে উগ্রবাদ ও মব সহিংসতা রোধে নিরপেক্ষ জুডিশিয়াল কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করা অত্যন্ত জরুরি।
মানবাধিকার সুরক্ষায়, সমাজের বিশৃঙ্খলা রোধে, আইনের শাসন বাস্তবায়নে এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূরীকরণে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা কতটুকু—এ বিষয়ে আজ আমাদের গভীরভাবে চিন্তা করা প্রয়োজন।

অতিথিবৃন্দ, আমরা বিশ্বাস করি, একটি শক্তিশালী ও সুশাসনভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তি হলো সমঅধিকার। যেখানে কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্য থাকবে না, নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের প্রথম ও মৌলিক দায়িত্ব। আমরা চাই সরকার, বিচার বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যমের যৌথ প্রচেষ্টায় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হোক।
এইচআরসিবিএম-এর পক্ষ থেকে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট দাবি ও সুপারিশসমূহ জানায়: ০১. নিরপেক্ষ জুডিশিয়াল কমিশন গঠন করে নির্যাতনের ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ ও জরুরি তদন্ত করতে হবে। ০২. তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে দ্রুত বিচারে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। ০৩. ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা, পুনর্বাসন ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিতে হবে।

এইচআরসিবিএম (HRCBM) মনে করে শুধু নতুন ঘটনার বিচার করলে হবে না। গত ৬ মাসের ৮২৪টি ঘটনারও সত্য উদঘাটন, বিচার, ক্ষতিপূরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার দরকার।
এইচআরসিবিএম প্রতিবেদনে আরো জানায় একটি রাষ্ট্র কতটুকু শক্তিশালী তা প্রকাশ পায় তার দুর্বল ও সংখ্যালঘু নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতায়। এইচআরসিবিএম এর চায় এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে উঠুক- যেখানে প্রত্যেক নাগরিক সমান অধিকার, সমান মর্যাদা, সমান আইনি সুরক্ষার সুবিধা পাবে।
বেছে বেছে মানবাধিকার প্রয়োগ করা যায় না। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা একই সুরক্ষা, ন্যায়বিচার এবং মর্যাদা পাওয়ার যোগ্য যা বিশ্বের অন্যত্র দাবি করে।” — ধীমান দেব চৌধুরী, প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, HRCBM

আরও পড়ুন কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পুনর্বাসন সেবা কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন।।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Dashani 24
Theme Customized By Green Host Park