
নিজস্ব প্রতিবেদক ফজলুর রহমানঃ সীমান্তে শুধু চোরাচালানের জব্দকৃত
চোরাচালানকারীরা-ধরাছোঁয়ার বাইরে।
চোরাচালানকারী চক্রকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রায় প্রতিবার দেখা যায়,শত শত কোটি টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ হয়। কিন্তু যাদের হাতে এসব পণ্য ছিল,তারা কোথায় যায়?যদি সত্যিই সীমান্তে কঠোর নজরদারি থাকে,তাহলে চোরাচালানকারীরা বারবার কীভাবে পালিয়ে যায়?
বাংলাদেশের দিকের অনেক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নেই। তাই কেউ যদি পালিয়ে যায়,যুক্তি অনুযায়ী সে বাংলাদেশের ভেতরের দিকেই পালানোর কথা। তাহলে তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা জন্য তৎপর,মালামাল জব্দ করলেই চোরাচালান বন্ধ হবে না। যারা এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে সীমান্তে বিজিবির সদস্যদের দুর্নীতি অথবা চোরাকারবারী গ্রেফতারারে অবহেলার অভিযোগ থাকলে নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষী বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। অপরদিকে- বিজ্ঞ মহলের অভিমত (চোরাকারবারিরা মানুষ,কোন ভুত বা জীন নয়)
তাই মাননীয় সরকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি-সীমান্তে শুধু অবৈধ পণ্য জব্দ নয়,চোরাচালান চক্রের মূল হোতা,বহনকারী-সহযোগীদের গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই চোরাচালান ও মাদক প্রবেশ উল্লেখযোগ্যভাবে অনেক কমে আসবে, “ইনশাআল্লাহ”
Leave a Reply