
বিগত স্বৈরাচার আমলে কাশীপুর ৩ নং ওয়ার্ড এবং তার আশেপাশের এলাকার অঘোষিত ডন ছিলেন গিয়াসউদ্দিন ওরফে গেসু ডাকাত, তিনি ছিলেন ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এবং শামীম ওসমানের পক্ষ হয়ে এই এলাকায় অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণ করতেন। গিয়াসউদ্দিন ও তার ৫ ছেলে এই এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলো, এলাকায় চাদাবাজি, ভুমিদস্যুতা, দখলবাজিসহ সকল অপরাধ কার্যক্রম করতো এই গিয়াসউদ্দিন পরিবার। গিয়াসউদ্দিনের মোজো ছেলে সুমনের নেতৃত্বে এসব অপরাধ সংগঠিত হতো।
জানা যায়, ৩ নং ওয়ার্ড এলাকায় নিরীহ মানুষের জায়গা দখল, জমিবেচা কেনায় চাদা আদায়, ফিটিং দিয়ে টাকা আদায় ছিলো এই সুমনের নিত্যনৈমিত্তিক কাজ, এর মাধ্যমে সুমন প্রায় শতকোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তার ছিলো বিশাল ক্যাডার বাহিনী। সেই বাহিনীর মাধ্যমে কাশীপুরের নিরীহ মানুষকে অত্যাচার করতো এই সুমন বাহিনী।
৫ আগষ্ট স্বৈরাচার পতনের পর আত্নগোপনে যায় গিয়াসউদ্দিন পরিবার, কিছু দিন পর থেকে প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করতে শুরু করে সুমন, তাকে প্রায়ই শহরের মিশনপাড়া এলাকায় দেখা যায়, খোজ নিয়ে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের বড় বড় বিএনপি নেতাকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে তিনি শহরে প্রকাশ্যে তার কার্যক্রম চালাচ্ছে, এছাড়াও ৩ নং ওয়ার্ডের কিছু বিএনপি নেতাদের অপরাধ জগতের সাথে পার্টনার হিসেবে নিয়ে শহর থেকেই তার চাদাবাজি ও ভুমি দখল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
খোজ নিয়ে আরো জানা যায়, সুমনের নামে রয়েছে প্রায় ৪ টি বৈষম্য বিরোধী মামলা, এছাড়াও সন্ত্রাস, চাদাবাজি, ভুমি দখলসহ বিভিন্ন অপরাধে তার আরো অসংখ্য মামলা রয়েছে তার নামে। শহর থেকে অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণের এই খবরে আতঙ্কিত ৩ নং ওয়ার্ড এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে আওয়ামী লীগের ভেভিলরা গ্রেফতার হলেও নরসিংহপুর এলাকার ত্রাস সুমনকে কেনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না। এলাকাবাসীর দাবী, অবিলম্বে এই সুমনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তার শেল্টারদাতা বিএনপি নেতাদেরও গ্রেফতার করতে হবে
আরও পড়ুন চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি হয়: শ্রম উপদেষ্টা
Leave a Reply