
তাং ২৯-০৩-২০২৬ রোজ রবিবার,
বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট উপজেলায় ১৯৭১সালের মুক্তি যোদ্ধাদের মান ক্ষুন্ন্য করে নতুন ভাতা ভোগি মুক্তিযোদ্ধা হয়েছে অনেকেই অসৎ পথ অবলম্বন করে, জনগনের অর্জিত সম্পদের ভ্যাট ট্যাক্সের টাকা যায় এ সকল ভাতা ভোগিদের ভোগে অর্জিনাল মুক্তিযুদ্ধাদের তালিকায় জানারা আছেন তাদের থেকে অধিক পরিমাণে প্রাধান্য পাচ্ছে ভুয়া মুক্তিযুদ্ধ রা
নুতন করে গেজেট হওয়ায় মুক্তিযুদ্ধা কল্যান ট্রাষ্ট জামুকা মুক্তিযুদ্ধা মন্তণালয় সাক্ষরিত নুতন তালিকায় নাম আসছে একই গেজেট নাম্বারে দুই ভাতা ভোগির নাম যারা কোন দিন মুক্তুযোদ্ধা ছিলোনা ১।আবুল বশার মিয়া পিতা মৃত্য ইনুস মিয়া সাং কাহালপুর ২।শেখ আতাহর হোসেন পিতা মৃতঃআফসার উদ্দিন সাং দারিয়ালা থানা মোল্লা হাট জেলা বাগেরহাট।
তথ্য সুত্রে জানা যায় আবুল বশার মিয়ার পুত্র এম এম মফিজুর রহমান আওয়ামী লীগের তালিকা ভুক্ত সদস্য এবং প্রেস ক্লাব মোল্লা হাটের সাধারন সম্পাদক তার দৌরাত্বে এবং অবৈধ ক্ষমতার বলে তার বাবাকে মুক্তিযুদ্ধা বানিয়ে ভাতা ভোগ করে আসছে এই মফিজুর রহমান অনৈকতার সাথে জড়িত থাকায় মোল্লাহাট প্রেসক্লাব তাকে বহিস্কার করে দেয় এর পর থেকে সে নিজে কিছু অসাধু অশিক্ষিত লোক সাথে নিয়া একটা ক্লাব দাড় করিয়ে নাম দেয় প্রেস ক্লাব মোল্লা হাট সেই থেকে চলমান সময় তার অসৎ আচরনে সৎ এবং নিষ্টা্বান সদস্য গুলি পদত্যাগ পত্র জমা দিয়া তার কাছ থেকে সরে আসে,
যারা ই তাকে এড়িয়ে চলে তাদের কে তার কৌশল গত পথ অবরম্বন করে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে আসছে সে পুর্বের থেকে সে পালিশে মালিশে পারদর্শী হওয়া গততে তার কোন ফলাফল উপভোগ করতে হয়নি এখনো সেই ভাবে চোলে আসছে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের ভাস্য তার বাবা কোন দিন দেশ স্বাধীনের পক্ষে ছিলোনা তার পরে ও মুক্তি ভাতা উপভোগ করছে,
সাধারন মানুষের দাবী একই গেজেট নাম্বারে দুইজন ভাতা ভোগী কি ভাবে সম্ভব হয়
এ বিষয় নিয়া এলাকা গুনজ্ঞনের স্মৃষ্টি হচ্ছে।
আরও পড়ুন বিরামপুরের কেটরা উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠদানের পাশাপাশি চলছে আলুর বেচাকেনা
Leave a Reply