
নিজস্ব প্রতিবেদক ফজলুর রহমানঃ দিনাজপুরে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার রোধে বিভাগীয় পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে ‘পুঁজিবাজার পর্যালোচনা’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে‘পুঁজিবাজার পর্যালোচনা’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (যুগ্মসচিব) আ ন ম নাজিম উদ্দিন,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,দিনাজপুরের অতিরিক্ত পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন,পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা,ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা.মো.গোলাম রসুল রাখি প্রমুখ।
কর্মশালায় দিনাজপুর জেলার হোটেল মালিক সমিতির সদস্য,বেকারি মালিক,শিক্ষক,মাছ ও মাংস ব্যবসায়ী,খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ,পরিবহন ও পরিবেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন,নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়,এটি সমাজের প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের কথা গুরুত্ব দিয়ে অনুসরণ করে। তাই শিক্ষকেরা যদি নিয়মিত নিরাপদ খাদ্য, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস এবং ভেজাল খাদ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করেন,তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও সচেতন হয়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন,বর্তমানে খাদ্যে ভেজাল,বিষাক্ত রাসায়নিক ও ক্ষতিকর উপাদান মেশানোর প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এর ফলে ক্যান্সার,কিডনি,লিভারসহ বিভিন্ন জটিল রোগে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। মানুষের গড় আয়ু ও সুস্থ জীবনযাপনও হুমকির মুখে পড়ছে। তাই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইন প্রয়োগেরও বিকল্প নেই। জেলা প্রশাসক বলেন,নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী,উৎপাদক, বিক্রেতা এবং ভোক্তা সবার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে পরিবেশন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ খাদ্য আইন মেনে চলতে হবে।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন,নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার,হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং খাদ্য সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি ভোক্তাদেরও ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। জনসচেতনতা বাড়লেই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা অনেক সহজ হবে।
Leave a Reply