
মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী (মিকাঈল), ক্রাইম রিপোর্টার :
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শাহাবন্দর পতন এলাকায় পৈতৃক জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের অভিযোগ সামনে এসেছে।
দীর্ঘদিন ধরে ৬ শতক জমি সংক্রান্ত জটিলতার কথা উল্লেখ করে আইনজীবী আব্দুল মান্নান চৌধুরী ওরফে মোঃ রায়হানের বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংগঠনের কাছে আবেদন করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার।
ভুক্তভোগী মোঃ কুকিল মিয়া ওরফে কয়ছর মিয়া (পিতা: মৃত বাহার মিয়া) জানান, মৌজা ফতেপুরের এস.এ. খতিয়ান নং ১২৫ ও আর.এস. খতিয়ান নং ১৩৬ অনুযায়ী এস.এ. দাগ নং ১৭১২, ১৭১৩, ১৭১৫, ১৭১৬ এবং আর.এস. দাগ নং ১৩৭৯, ১৩৮০, ১৩৮১, ১৩৮২-এর অন্তর্ভুক্ত মোট ৬ শতক জমি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি হিসেবে পরিচিত। তবে ভূমি জরিপকালীন সময়ে রেকর্ড সংক্রান্ত জটিলতার সৃষ্টি হয় বলে তিনি দাবি করেন।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, জমি বিষয়ে দাবি জানালে সামাজিক চাপ ও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে। অভিযুক্ত পেশায় আইনজীবী হওয়ায় বিষয়টি তিনি বিভিন্ন কূটকৌশল অবলম্বন করে কালক্ষেপণ করে যাচ্ছেন।
বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে একাধিকবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শালিসকারীদের উপস্থিতিতে কয়েকবার বিচার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা যায়।
এছাড়া উক্ত বিষয়ে কনকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বরাবরে অভিযোগ দাখিল করেও কোন প্রতিকার পাননি ভুক্তভোগী মোঃ কুকিল মিয়া ওরফে কয়ছর মিয়া।
এসব শালিসে উপস্থিত আইনজীবী রমাকান্ত দাস বলেন,“উপস্থাপিত কাগজপত্র ও আলোচনার ভিত্তিতে ভুক্তভোগীর দাবির একটি বাস্তব ভিত্তি রয়েছে বলে আমার কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। বিষয়টি সম্মানজনক সমাধানের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।”
শালিসে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা হান্নান মিয়া, তাজেল আহমদ, সাহেদ মিয়া, সামছুল মিয়া ও জাকির মিয়া বলেন, “আমরা আলোচনায় যা দেখেছি ও শুনেছি, তাতে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি সঠিক বলে জেনেছি । কয়ছর মিয়ার জায়গা যতটুকু থাকুক তা ন্যায্য ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের মাধ্যমে দিয়ে দেয়া উচিত আইনজীবী আব্দুল মান্নান সাহেবের।”
এ বিষয়ে আইনজীবী আব্দুল মান্নান চৌধুরী ওরফে মোঃ রায়হান চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেয়ার চেষ্টায় আইনজীবী বারে গেলে উনাকে না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি ।
ভুক্তভোগী মোঃ কুকিল মিয়া ওরফে কয়ছর মিয়া জানান আমরা নিরুপায় ও অসহায় মানুষ বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করে কোন প্রতিকার পাইনি। আইনী লড়াই করার মতো সামর্থ্য আমাদের নেই তাই হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি’র বিভাগীয় প্রধান বরাবরে মিমাংসা করে আমার ন্যায্য সম্পদ ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করেছি।
আরও পড়ুন এনসিপি নেতার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন রাজমিস্ত্রি জুলহাসের পরিবার
Leave a Reply