1. aa01944785689@gmail.com : AFJAL SHARIF : AFJAL SHARIF
  2. samad@gmail.com : Abdus Samad : Abdus Samad
  3. admin@dashani24.com : admin :
  4. alamgirhosen3002@gmail.com : Alamgir Hosen : Alamgir Hosen
  5. aminulbahar3331@gmail.com : Md. Aminul Islam : Md. Aminul Islam
  6. a01944785689@gmail.com : Most. Khadiza Akter : Most. Khadiza Akter
  7. enamjournalist2023@gmail.com : Enam Journalist : Enam Journalist
  8. No-fozlurbc@gmail.com : Md Fozlur Rahman : Md Fozlur Rahman
  9. afzalhossain.bokshi13@gmail.com : Md Haurn Or Rashid : Md Haurn Or Rashid
  10. liton@gmail.com : Md. Liton Islam : Md. Liton Islam
  11. mdimanali358@gmail.com : Md Iman Ali : Md Iman Ali
  12. mdpalashkhan063@gmail.com : md palash Khan : md palash Khan
  13. mr6360850@gmail.com : Md Masud Lilfamari : Md Masud Lilfamari
  14. r01944785689@gmail.com : Rashadul Islam Rony : Rashadul Islam Rony
  15. samrulhaquesh29@gmail.com : Samrul Haque : Samrul Haque
  16. sanjidhowlader2@gmail.com : Sanjid Howlader : Sanjid Howlader
  17. siam200575@gmail.com : Tarikul Islam : Tarikul Islam
  18. tariqulislam.edge@gmail.com : Md. Islam : Md. Islam
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আজ কামালপুর মুক্ত দিবস বকশীগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে একজনের ৬ মাসের কারাদণ্ড বাদীকে অবহিত না করে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দিনাজপুরে সিআার মামলায় ৫ বছরের শিশুকে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ কাহারোলে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৭জন মাদক সেবীর জেল ও জরিমানা।। ঠাকুরগাঁওয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার রাজিবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু এসপি জসিম উদ্দীনের হাত থেকে শ্রেষ্ঠত্বের সম্মাননার মুকুট পরলেন গোবিন্দগঞ্জের ওসি মোজাম্মেল হক, ডাংধরায় ধর্ষনের অভিযোগ, মামলা, অতপর….. ঘুষ বাণিজ্যসহ বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ প্রতিষ্ঠান প্রধান ‍হুরার বিরুদ্ধে দুর্গম চরাঞ্চলের জন্য ৫৩ বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প, সেবা পেলেন ৭০০ মানুষ

নড়াইলে শিক্ষকের ব্যাংক হিসাবে ঢুকছে সরকারি বেতন, বিদ্যালয়ে যাননা ১৭ বছর

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৮ বার পঠিত
54

নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা সরকারি বেতন-ভাতা তোলার অভিযোগ উঠেছে এক কম্পিউটার শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

বিদ্যালয়ে পাঠদান তো দূরের কথা, এক দিনের জন্যও তিনি সেখানে পা রাখেননি। অথচ নিয়মিত তার ব্যাংক হিসাবে ঢুকেছে সরকারি টাকা (এমপিও)। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়া উপজেলার দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম পীযুষ কান্তি ঘোষ। তবে তার দাবি, তিনি ২০০৯ সালেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। তার ব্যাংক হিসাবে কীভাবে টাকা ঢুকছে, তা তিনি জানেন না।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকদের কারসাজিতেই দীর্ঘদিন ধরে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রধান শিক্ষকরা একে অপরের দিকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছেন।

এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয়টির অন্যান্য শিক্ষক ও এলাকাবাসী। প্রশাসন ও শিক্ষা দফতর দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাবটি তালাবদ্ধ। ওই বিষয়ের পাঠদানে নেই কোনো শিক্ষক। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে কম্পিউটার শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বিদ্যালয়টির শত শত শিক্ষার্থী।

অথচ কম্পিউটার শিক্ষক পদে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিদ্যালয়ে না থেকেও বেতনসহ সরকারি সব সুবিধা পাচ্ছেন এক শিক্ষক।

বিদ্যালয়ের তথ্য বলছে, ২০০৬ সালে দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার শিক্ষকের শূন্য পদে পীযুষ কান্তি ঘোষ যোগদান করেন। তিন বছর চাকরি করেও এমপিওভুক্ত না হওয়ায় ২০০৯ সালে তিনি ঢাকায় গিয়ে অন্য পেশায় যুক্ত হন।

বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও অদৃশ্য কোনো এক ক্ষমতাবলে এমপিওভুক্ত হন শিক্ষক পীযুষ। সেই থেকে একটিবারের জন্যও বিদ্যালয়ে আসেননি তিনি। অথচ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতার সরকারি অংশ (এমপিও) হিসেবে প্রায় অর্ধকোটি টাকার সুবিধা ভোগ করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক পদে কর্মরত আছেন।

শিক্ষক পীযুষ কান্তি ঘোষের ব্যাংক হিসাবের (স্টেটমেন্ট) সূত্র ধরে অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক নীরঞ্জন কুমার বসু (১৯৮৪-২০১২), এরপর অনন্ত কুমার বিশ্বাস (২০১২-২০১৪), তুষার কান্তি ঘোষ (২০১৪-২০২২), গোলক চন্দ্র বিশ্বাস (২০২২-২০২৫) এবং সবশেষ তুষার কান্তি ঘোষ (২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে অদ্যাবধি) দায়িত্ব পালন করেন। পীযুষ কান্তির বেতন উত্তোলনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যায়। চলতি বছরের জুনেও শিক্ষক পীযুষ কান্তির ব্যাংক হিসাবে টাকা লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বিদ্যালয়টির অবসরপ্রাপ্ত দুই প্রধান শিক্ষক নীরঞ্জন কুমার বসু এবং অনন্ত কুমার বিশ্বাসের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আড়াই বছর দায়িত্বে থাকা বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক (বর্তমানে সহকারী প্রধান শিক্ষক) এবং বর্তমান প্রধান শিক্ষক একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন।

সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলক চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘আড়াই বছর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদে দায়িত্ব পালন করেছি। তখন কম্পিউটার শিক্ষক পীযুষের বেতন বন্ধ রাখি। প্রধান শিক্ষক পুনর্বহাল হয়ে আবারও তার বেতন চালু করেন।’ ব্যাংক স্টেটমেন্ট অনুযায়ী তার দায়িত্বকালীন সময়ে পীযুষের অ্যাকাউন্টে বেতন ঢুকেছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো আবেদন করিনি, তবে কীভাবে ঢুকছে আমার জানা নাই।’

বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক তুষার কান্তি ঘোষ অনুপস্থিত শিক্ষকের বেতন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা ও উত্তোলনের বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ে পীযুষকে নোটিশ করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। হাইকোর্টের এক রায় অনুযায়ী বরখাস্ত করলেও তার প্রাপ্য টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে।

আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে চক্রান্ত করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। সেই আড়াই বছরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলক পীযুষের বেতন চালু রেখেছিল। আমি যোগদান করে তার দেখানো পথে পীযুষের বেতন তিন মাস চালু রাখি, পরে আবার বন্ধ করে দিই।’

তিনি আরও দাবি করেন, শিক্ষকদের বেতন চালুর বিষয়ে কমিটির সিদ্ধান্তের বাইরে প্রধান শিক্ষকের সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ থাকে না। তৎকালীন কমিটির সিদ্ধান্তে তিনি বেতন চালু রাখতে বাধ্য হন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে পীযুষ কান্তি ঘোষ বলেন, ‘২০০৯ সালে স্কুলের চাকরি ছেড়ে এসেছি। বিদ্যালয়ে আর কখনো যাইনি। তবে এসব বেতন উত্তোলন ও এমপিওর বিষয়টি সম্প্রতি বিভিন্ন মারফতে জানতে পেরেছি। তবে এসব টাকার বিষয়ে আমার কিছু জানা নাই।’

তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ‘দীর্ঘ এত বছরে ব্যাংকে আমি কখনো যাইনি। কীভাবে আমার অ্যাকাউন্টে লেনদেন হচ্ছে, কখনো ব্যাংক থেকেও আমার সাথে যোগাযোগ করা হয়নি। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।’

এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, ‘একটি অভিযোগ পেয়েছি। দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. জালাল উদ্দিন বলেন, ‘দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অনুপস্থিত থেকেও শিক্ষক পীযুষ সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন, যেটি গর্হিত অপরাধ। আর একজন শিক্ষকের একার পক্ষে এ কার্যক্রম চালানো সম্ভব নয়। আমি সম্প্রতি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছি।

তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন সব দফতরে বিষয়টি জানাব। আশা করি, এই চক্রের সকলের মুখোশ উন্মোচন করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

উল্লেখযোগ্য যে, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পরের বছর এমপিওভুক্ত হয়। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৪০১ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।

আরও পড়ুন যাত্রী, তোলা, নিয়ে, দ্বন্দ্ব:, নকলায়, চলন্ত, বাসে, মারামারির জেরে প্রাণহানি, বাস জব্দ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Dashani 24
Theme Customized By Shakil IT Park