
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি –
সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল গোলচত্তর এলাকায় গত ১৭ জুন ২৬ ইং তারিখে ধোপাকান্দি এলাকার দাদনপুর রাস্তা সংলগ্ন মোঃ মোজদার হোসেন এর পরিত্যাক্ত বাসা বাড়ি থেকে বগুড়া জেলার সদর থানার ঝোপগাড়ি ঠিকাদার পাড়ার আবুল হোসেনের ছেলে আব্দুস ছালাম (৫০) এর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
রক্তাক্ত লাশটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়ীরা সলঙ্গা থানা পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মরদেহটির পা একটি টয়লেট সাইজের রুমের বাহিরে এবং মাথাটি থেতলানো ছিল।
মনে হচ্ছিল ইটদিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
এলাকাবাসীর ধারনা কোন সংঘবদ্ধ চোর চক্র ও ছিনতাইকারী সদস্যদের হাতে নিহত হয়েছেন।
পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আলামত জব্দ ও নিহতের পরিচয় নিষ্চিত হওয়ার পরও হত্যাকান্ডের বিষয়টি খোলসা না হওয়ায় জনমনে তৈরী হয়েছে নানান প্রশ্ন আর ভীতি।
হাটিকুমরুল গোলচত্তর এলাকার একাধিক বাসিন্দারা এসব বিষয়ে নিয়ে মন্তব্য করে বলেন, হাটিকুমরুল গোলচত্তরে ইদানীং চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বেড়ে গেছে, এমনকি হত্যার মত ঘটনাও ঘটেছে, সন্ধার পর থেকে এখন গোলচত্তরে বের হওয়ায় মুশকিল হয়ে পরেছে।
গত ২৭ তারিখ পুলিশ গোলচত্তর থেকে ট্রাক ও ডাকাতির অস্ত্রসহ ডাকাত চক্রের সদস্যকে আটক করেছে।
শুনেছি বাকিরা পালিয়ে গিয়েছে এবং পালিয়ে যাওয়ার সময় আবার ওসির গাড়িকেই চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।
এসব অন্তজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য এই এলাকায় কাদের মাধ্যমে প্রবেশ করল।
যারা পালিয়ে গিয়েছে তাদের আটক করে প্রকাশ্য আনা দরকার।
এবং বিগত কয়েকদি আগে কিশোর গ্যাং নিয়ে একাধিক নিউজ ও ভিডিও প্রকাশ হলেও এখনও তারা ধরা ছোয়ার বাইরে।
হাটিকুমরুল গোলচত্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা, বিভিন্ন ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষের বসবাস।
হাটিকুমরুল গোলচত্তর পার হওয়ার পর থেকেই ডাকাত ও চোরাই মালামাল ক্রয়বিক্রয় কারী এসব চোর ডাকাতদের নিয়ে সারারাত কারবার করে।
এসব কারবারিদের নামে একাধিক ডাকাতি, ছিনতাই ও চুরির মামলা থাকা সত্ত্বেও দিব্বি প্রসাসনকে ম্যানেজ করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
তাদের কে আইনের আওতায় আনলেই হাটিকুমরুল এলাকা থেকে চোর, ডাকাত দূর হয়ে যাবে।
সেদিন আবার ধোপাকান্দি এলাকা থেকে একজনের লাশ বের হয়েছে।
এখন আমাদের ভয় হয় আমাদেরও কখন যেন কোন পরিস্থিতিতে পরতে হয়।
আজ মোজদারের ফাকা বাসাবাড়ির একজনের লাশ ফেলে গেছে, কাল আমার কোন প্রতিপক্ষ আমাকে ফাসাতে আমার জায়গাতেও তো একজনের লাশ ফেলে যেতে পারে।
যদি ও নিহত ব্যাক্তি আমাদের এলাকার কেউ না, কিন্ত সে তো মানুষ তাই হত্যার বিষয়ে অতি দ্রত তদন্ত করে আসামীদের আটক করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের প্রতি অনুরোধ করছি।
এ বিষয়ে এ্যডিশ্যনাল এসপি সলঙ্গা – রায়গন্জ সার্কেল ( অতিরিক্ত) মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধারের ঘটনার বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি দুই একজন সন্দেহের তালিকায় রয়েছে তবে আমরা দ্রুতই হত্যার রহস্য উদঘাটন করে হত্যাকারীদের আটক করতে পারব বলে আশা রাখছি।
আরও পড়ুন অসহনীয় লোডশেডিংয়ে দিশেহারা রৌমারী-রাজিবপুরের মানুষ, বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা
Leave a Reply