1. admin@dashani24.com : admin :
  2. alamgirhosen3002@gmail.com : Alamgir Hosen : Alamgir Hosen
  3. a01944785689@gmail.com : Most. Khadiza Akter : Most. Khadiza Akter
  4. afzalhossain.bokshi13@gmail.com : Md Haurn Or Rashid : Md Haurn Or Rashid
  5. liton@gmail.com : Md. Liton Islam : Md. Liton Islam
  6. lalsobujbban24@gmail.com : Md. Shahidul Islam : Md. Shahidul Islam
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আজ কামালপুর মুক্ত দিবস রাত পোহালেই পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত  কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গ্রেফতার ০২ জামালপুরে সাড়ে ৩ লাখ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আদিবাসী শিশু ধর্ষণের দায়ে ধর্ষক ফাহিম গ্রেপ্তার নাগরপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে নিরাপত্তা প্রহরীর মৃত্যু, তদন্ত কমিটি গঠন রুমা ও থানচি উপজেলার সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত শেরপুর প্রেসক্লাবের ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত  শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত পীরগঞ্জ উপজেলার প্রার্থীরা ঠাকুরগাঁও রুহিয়ায় গাঁজা সহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক মান্দায় পল্লী শিশু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

মানবেতর জীবনযাপন করছেন ঝিনাইগাতীর কান্দুলী আশ্রয়নের বাসিন্দারা

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪
  • ৭০ বার পঠিত

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক শেরপুর প্রতিনিধিঃ আকাশে মেঘ জমলেই ঝিনাইগাতী উপজেলার কান্দুলী আশ্রয়নের বাসিন্দাদের ঘুম হারাম হয়ে পরে। বৃষ্টি হলেতো কথাই নেই। সন্তানাদি নিয়ে আশ্রয়নের বাসিন্দাদের জেগেই কাটাতে হয় সারা রাত।ভাঙ্গা ঘরে রোদ বৃষ্টিতে ভিজে মানবেতর জীবনযাপন করছেন কান্দুলী আশ্রয়নের বাসিন্দারা। তারা জরুরি ভিত্তিতে বিধ্বস্ত ঘরগুলো সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। জানা গেছে,১১৯৯ সালে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের কান্দুলী গ্রামে এ আশ্রয়ন প্রকল্পটি গড়ে তোলা হয়। সেনাবাহিনীর ২৭ এসটি ইউনিট ব্যাটালিয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেন। কুঞ্জবিলাস নামে এ আশ্রয়ন প্রকল্পে ৬ টি ব্যারাকে ৬০ জন গৃহহীন ছিন্নমুল ভুমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। বর্তমানে এ আশ্ররয়ন প্রকল্পে ছোট -বড় নারী পুরুষ ও শিশু – কিশোরসহ প্রায় ২ শ লোকের বসবাস।এখানে বসবাসকারিরা প্রায় সবাই দিনমজুর। অভাব অনটন দুঃখ আর দুর্দশাই এ আশ্রয়নের বাসিন্দাদের নিত্যসাথী।আশ্রয়নের ঘর হস্তান্তরের পর থেকে গত প্রায় দুই যুগেও ঘরগুলো আর সংস্কার করা হয়নি। দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের পক্ষে ঘরগুলো আর সংস্কার করাও সম্ভব হয়নি। ফলে ঘরগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পরেছে বহু আগে থেকেই। এখানে ৬ টি নলকূপ দেয়া হয়েছিল তা সবই অকেজো। নিচু স্থানে ঘর নির্মাণ করায় সামান্য বৃষ্টি হলেই বর্ষাকালে ঘরগুলোতে থাকে হাটু পানি।এসময় আশ্রয়নের বাসিন্দাদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। সরেজমিনে অনুসন্ধানে গিয়ে আশ্রয়নের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। আশ্রয়নের সাধারণ সম্পাদক মো: দুদু মিয়াসহ অন্যান্যরা আক্ষেপের সুরে বলেন,আকাশে মেঘ জমলেই সবারই ঘুম হারাম হয়ে যায়।শুধু তাই নয় বৃষ্টিতে ভিজে ছেলে – মেয়ে নিয়ে দুর্ভোগের সীমা থাকে না। ধানশাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন বহু আগে থেকেই ঘরগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পরেছে। তিনি আশ্রয়নের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ লাগবে ঘরগুলো সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ভুঁইয়া বলেন,ঘরগুলো সংস্কারের বিষয়ে ইতিমধ্যে তদন্ত করে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রতিবেদন প্রেরন করা হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলেই ঘরগুলো সংস্কার করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

সৌদিতে ক্লিনার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Dashani 24
Theme Customized By Shakil IT Park