
জয়ন্ত সাহা যতন সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা):
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মিথ্যা মানববন্ধন করে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে জাহিদ হাসান জিল্লু নামে এক ব্যক্তি।
জাহিদ হাসান জিল্লু উপজেলা ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গার মৃত: ফরজান আলীর ছেলে।
সোমবার দুপুরে সুন্দরগঞ্জ প্রেসক্লাব উপস্থিত হয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন জাহিদ হাসান জিল্লু।
সংবাদ সম্মেলনে জাহিদ হাসান জিল্লু বলেন-
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজোলার খোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের নতুন বাজারে সচেতন নাগরিকবৃন্দ আয়োজনে আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। আমি অভান্ত স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, উক্ত মানববন্ধনে আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার সাথে বাস্তবতার বিন্দুমাত্র কোনো মিন নেই। এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টা এবং আমার সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুন্ন করার গভীর ষড়যন্ত্র মাত্র।
তিনি আরো বলেন, মানববন্ধনে দাবি করা হয়েছে যে, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম এলাকার পরোপকারী জনপ্রিয় বাজি। তার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতেই এবং বলাৎকারের ঘটনায় ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সুবিধা আদায়ের জন্য অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন চিহ্নিত প্রতারক জাহিদ হাসান জিল্লু। তিনি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথা দিয়ে মানহানিকর পোস্ট করে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এমনকি জাহিদ হাসান জিল্লু বাড়ি ভাংচুরের মিথ্যা অভিযোগ এনে আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সুন্দরগঞ্জ থানায় উদ্দেশ্য প্রণোদিত জিডিও করেছেন।
আরও দাবি করা হয়, এর আগেও জাহিদ হাসান জিল্লু চাকরি দেওয়ার কথা বলে এবং ঘর ও ভাতার নামে মহিলাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। মানববন্ধনে এমন দাবি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত যা আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা মাত্র।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, পাউরুটি দেয়ার প্রলোভন দিয়ে ধোপাডাঙ্গা আশার আলো বিদ্যাপীঠের প্রথম শ্রেণির এক ছাত্র (৭)কে গত ২১ জুলাই দক্ষিণ রাজিবপুর গ্রামের মোনতাজ আলীর ছেলে মো. রাজ্জাক মিয়া তার বেকারির কারখানার ভেতর নিয়ে বলাৎকার করে।
এঘটনায় ন্যায্য বিচার প্রাপ্তির জন্য ওই ছাত্রের বাবা আমার সহযোগীতা কামনা করলে আমি ওই ছাত্রকে হাসপালে ভর্তি করানোসহ থানায় অভিযোগ দায়েরে সহযোগীতা করি।
অপরাধীর বিচার হোক এমন প্রত্যাশা করেন এলাকার সর্বমহল। এ ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম স্বপ্রণোদিত হয়ে অভিযুক্ত রাজ্জাক মিয়াকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে থানা থেকে অভিযোগ প্রত্যাহার করতে অভিযোগকারীসহ আমাকেও বিভিন্নভাবে হুমকী ধামকী প্রদর্শন করতে থাকেন,এর একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আমিনুল ইসলাম আমাকেসহ আমার পরিবারের লোজনকে গ্রাম ছাড়া করতে আমার বাড়িতে গিয়ে আমার অনুপস্থিতিতে হামলা করে ভাংচুরের ঘটনা ঘটায়।যা অনাকারিকত ও নেক্কারজনক। তার এরকম কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে থানায় অভিযোগ করা হয়।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পিত ভাবে সচেতন নাগরিকবৃন্দ এর ব্যানারে মানববন্ধন করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে আমার সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুন্ন করা হয়।
তিনি আরো বলেন- অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনের ব্যানারে আমাকে অপরাধী উল্লেখ করে আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। আপনারা অবগত আছেন দেশের প্রচলিত আইনে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কোন ব্যক্তির ছবি প্রকাশ বা প্রচার করা আইনগতভাবে মানহানিকর।
আমি কারো সাথে প্রতারণা করে আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছি এমন কোন প্রমাণ নেই। চাকরি দেওয়ার কথা বলে কিংবা ঘর ও ভাতার নামে কারো কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে থাকি এক মাত্র তারাই পারতেন আমার বিরুদ্ধে মামলা করে আইনী আশ্রয় নিতে। আমি চাকুরি করিনা, আমি কোনো জনপ্রতিনিধিও নই মানুষ আমাকে চাকুরি কিংবা ঘর ভাতার জন্য কিভাবে টাকা দিবেন। মানসম্মান ক্ষুন্ন করতে কিছু প্রতিপক্ষ বানিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে ।আমার বিরুদ্ধে কোনো মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকলে গ্রেফতারের দাবিতে মামলার বাদী মানববন্ধন করার এখতিয়ার রাখেন। কিন্তু সচেতন নাগরিকবৃন্দ এই দাবি করার এখতিয়ার রাখেন না। সচেতন নাগরিকবৃন্দ এর ব্যানারে অন্য এলাকার ভাড়াটিয়ে লোকজন দিয়ে বক্তব্য পেশ করে এলাকার সুধীজনদের মান ক্ষুন্ন করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করে আরো আমিনুল ইসলাম নিজেকে পুলিশ কর্মকর্তার দাপট দেখিয়ে বলাৎকার ঘটনার অভিযুক্তকে বাঁচিয়ে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের অপচেষ্টায় নিজেকে পর্দার আড়ালে রেখে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালাতে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর কর্মসূচি করছেন।
আমি এই ধরনের ভিত্তিহীন অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি সাধারণ জনগণ ও প্রশাসনকে এ ধরনের অসত্য প্রোপাগাণ্ডা বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
সংবাদ সম্মেলনে ঐ এলাকার জুয়েল মিয়া ও জাবেদ আলী নামে দুই ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা:
প্রকাশক: মোছাঃ খাদিজা আক্তার
বিথী
সম্পাদক: আফজাল শরীফ
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ হারুন-অর-রশিদ
বার্তা সম্পাদক: মোঃ আমিনুল ইসলাম বাহার
সহকারী বার্তা সম্পাদক: মুহাম্মাদ লিটন ইসলাম
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক সংলগ্ন জব্বারগঞ্জ বাজার,
বকশীগঞ্জ, জামালপুর
Copyright © 2026 দশানী ২৪. All rights reserved.