দিনাজপুরে গ্রাম আদালত জেন্ডার চ্যাম্পিয়ন বিষয়ক যুব কর্মশালার শুভ উদ্বোধনে জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম
ফজলুর রহমান দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ বৃহস্পতিবার সকাল ৯.৩০ মিনিটে দিনাজপুরে জেলা প্রশাসকের আয়োজনে: প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ- (কাঞ্চন)দিনাজপুর
১২ ডিসেম্বর-২০২৪ গ্রাম আদালত গ্রাম আদালত কি? প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এডিসি সার্বিক ও উপ পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) স্থানীয় সরকার মোহাম্মদ নূরে-এ-আলম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন,দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি বলেন প্রতিটি আলোচনার সারসংক্ষেপের মধ্যে উপস্থাপনা ও সমাপনী উপরে গ্রাম আদালতের আইনের বিষয়ে বিশদ ব্যাখ্যা তুলে ধরেন জেলা প্রশাসক মহোদয়।
বিশেষ আলোচ্যক মো: রনক লায়লা, উপজেলা সমন্বয়কারী, দিনাজপুর সদর, মো: মনির খান পিএফএ,এভিসিবি-৩য় পর্যায় প্রকল্প, দিনাজপুর। অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় পর্ব ও উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন,ফারহানা ফেরদৌস শিউলি,
সহকারী কমিশনার,স্থানীয় সরকার শাখা দিনাজপুর।বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয় করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত পরিচিতির উপরে বক্তব্য রাখেন, সুমন ফ্রান্সিস গোমেজ,কমিউনিকেশন অ্যান্ড আউটরিচ এনালিস্ট, বাংলাদেশ গ্রাম আদালত
সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্প,ইউএনডিপি। গ্রাম আদালত আইন ও সেবা সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন, মো: আবু বককর সিদ্দিক (আবু) ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার বাংলাদেশ গ্রাম আদালত
সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্প দিনাজপুর। জেন্ডার সংবেদনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গ্রাম আদালত উপরে বক্তব্য রাখেন,শামীমা আক্তার শাম্নী,জেন্ডার এনালিস্ট বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্প,
ইউএনডিপি। উন্মুক্ত বিষযে বক্তব্য রাখেন, উপ-পরিচালক যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, উপ-পরিচালক মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, জেলা তথ্য অফিসার এবং অংশ
গ্রহণকারীবৃন্দ। বক্তারা বলেন গ্রাম আদালতে যুব জেন্ডার চ্যাম্পিয়ন এর ভূমিকা দায়িত্ব ও কর্তব্য কর্মপরিকল্পনা পরিকল্পনা বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
গ্রাম আদালত কি? গ্রাম আদালত হলো গ্রামাঞ্চলের ছোট ছোট দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় যে আদালত গঠিত হয় সে আদালত হলো গ্রাম আদালত।
সহজ কথায় গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদে সর্বোচ্চ তিন লক্ষ টাকার মূল্যমানের দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যে আদালত বসে সে আদালতেই হলো গ্রাম আদালত।
গ্রাম আদালত গ্রামাঞ্চলের সুবিধা বঞ্চিত অনুগ্রসর জনগোষ্ঠীর সুবিচার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়।
এখতিয়ার সম্পূর্ন এলাকার জনগণ ফৌজদারী হলে ১০ টাকা এবং দেওয়ানী হলে ২০ টাকা দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে এই মামলা দায়ের করতে পারে।
গ্রাম আদালতের এখতিয়ার সম্পূর্ন মামলা অন্য কোন আদালত গ্রহন করতে পারে না। গ্রাম আদালতে মামলা করলে কোন আইনজীবির প্রয়োজন হয় না।
যার কারনে মামলা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কোন সুযোগ নেই। স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং গন্যমান্য বিচারকের উপস্থিতিতে এই আদালত বসে।
যে আদালতে বিচারক সংখ্যা হলো ০৫জন। দুই জন মনোনীত সদস্য থাকবেন আবেদনকারীর পক্ষে এবং ০২ জন সদস্য হবেন প্রতিবাদীর পক্ষে। যার মধ্যে একজনকে অবশ্যই হতে হবে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য।
স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং গন্য মান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে এই বিচার অনুষ্ঠিত হয় বলে এখানে মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার কোন সুযোগ থাকে না।
কিছু কিছু ইউনিয়ন পরিষদে প্রতি সপ্তাহে শনিবার গ্রাম আদালত বসে।
গ্রাম আদালতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য,সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাবেন।
উপদেষ্টা:
প্রকাশক: মোছাঃ খাদিজা আক্তার
বিথী
সম্পাদক: আফজাল শরীফ
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ হারুন-অর-রশিদ
বার্তা সম্পাদক: মোঃ আমিনুল ইসলাম বাহার
সহকারী বার্তা সম্পাদক: মুহাম্মাদ লিটন ইসলাম
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক সংলগ্ন জব্বারগঞ্জ বাজার,
বকশীগঞ্জ, জামালপুর
Copyright © 2026 দশানী ২৪. All rights reserved.