1. admin@dashani24.com : admin :
  2. alamgirhosen3002@gmail.com : Alamgir Hosen : Alamgir Hosen
  3. a01944785689@gmail.com : Most. Khadiza Akter : Most. Khadiza Akter
  4. afzalhossain.bokshi13@gmail.com : Md Haurn Or Rashid : Md Haurn Or Rashid
  5. liton@gmail.com : Md. Liton Islam : Md. Liton Islam
  6. lalsobujbban24@gmail.com : Md. Shahidul Islam : Md. Shahidul Islam
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আজ কামালপুর মুক্ত দিবস উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীর নির্বাচনী জনসংযোগ জনপ্রিয়তার শীর্ষে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল লতিফ বাউফলে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভাঙচুর শেরপুরের শ্রীবরর্দীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা নকলায় শিয়াল মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে খামারির মৃত্যু ! ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে আনন্দ ভ্রমণ চট্টগ্রাম ডিসি পার্ক ও পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতী থানায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ডিমলায় কালভার্ট নির্মাণে কয়েক গ্রামের কৃষকের ভাগ্য বদল খানসামায় গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারী আটক ভুল কেন্দ্রে আসা পরীক্ষার্থীকে পৌঁছে দিল পুলিশ

ঝিনাইগাতী উপজেলার মুঘল স্থাপত্য খান বাড়ি মসজিদ

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৭ জুলাই, ২০২৩
  • ৯৮ বার পঠিত

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক শেরপুর প্রতিনিধি।

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় মুসলিম স্থাপত্যের ঐতিহাসিক প্রাচীনতম নিদর্শন খান বাড়ি জামে মসজিদ।

উক্ত মসজিদটি শেরপুর জেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার উত্তরে ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতিবান্দা ইউনিয়নের ঘাগড়া লস্কর গ্রামে অবস্থিত।

অপূর্ব নকশা কারুকার্য সমৃদ্ধ মুসলিম স্থাপত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হয়ে আজও বিদ্যমান। স্থানীয় প্রবীণ লোকজন ও ইতিহাস সূত্রে জানা যায়, বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশির যুদ্ধে পরাজিত তার যোদ্ধারা বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে থাকে।

আর আজিমোল্লাহ খান নামে এক যোদ্ধা এখানে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনিই এ মসজিদটি নির্মাণ করেন। তিনি পালিয়ে এসে এখানে বসবাসের কারণে তাঁর আরেকটি নাম ছিল পলায়ন খা।

মসজিদটির সামনে স্থাপনের তারিখ ১২২৮ হিজরি সনে প্রতিষ্ঠিত। পরবর্তীতে মসজিদটি পুন: সংস্কারের সময় নেম প্লেটে আজিমোল্লাহ খানের দুই ছেলে আফজাল খান ও গোলাপ খানের নাম লেখা রয়েছে।

মসজিদটি নির্মাণ শৈলী খুবই মনোরম। উক্ত মসজিদটি প্রাচীন স্থাপত্য শিল্পের অনুপম নিদর্শন। এ মসজিদটি বর্গাকারে, যার দৈর্ঘ্য ২৭ ফুট প্রস্থ ও ২৭ ফুট।

মসজিদটিতে প্রবেশের জন্য পূর্বদিকে একটি মাত্র প্রবেশ পথ। উপরে পূর্ণ ছাদই একটি মাত্র গম্বুজ দ্বারা তৈরি। এছাড়াও ৪ কোণে ৪টিসহ মোট গম্বুজ সংখ্যা ১২টি।

গম্বুজগুলো নিপুনভাবে তৈরি। মসজিদের দেয়ালের গাথুনী ৪ ফুট পাশ, যা চুন ও সরকি দিয়ে গাথা এবং ভেতরে সুন্দর কারুকার্য্য করা নকশা।

কারণ হিসেবে স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, মসজিদে স্থান সংকুলান হওয়ায় নামাজ পড়া হয়। ১৯৬৮ সনের পুরাকীর্তি সংরক্ষণ আইনে মসজিদটি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।

তবে মসজিদের হেফাজত ও সংরক্ষণের জন্য ইতোপূর্বে একজন খাদেম সরকারিভাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে তা নেই।

পত্নতাত্বিক বিভাগ থেকে বহুবার পরিদর্শন করা হয়েছে মসজিদটি। উক্ত মসজিদে ৫ ওয়াক্ত নামাজের আযান ও নামাজ আদায় করা হয়।

বর্তমানে মসজিদ পরিচালনার জন্য একটি কমিটি রয়েছে। এ মসজিদটি দেখার জন্যে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় প্রতিদিনই অসংখ্য দর্শনার্থী এখানে ভিড় জমায়।

আরও পড়ুন নাগরপুর-দেলদুয়ারে ১৩ টি নতুন সড়ক নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন

সৌদিতে ক্লিনার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Dashani 24
Theme Customized By Shakil IT Park